সোমবার, ০৬ Jul ২০২৬, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন

News Headline :
রাজশাহীতে গাঁজা, ইয়াবা, হেরোইন, ট্যাপেন্টাডল-সহ গ্রেফতার ৭ মাদক কারবারি পাবনায় মেস থেকে প্রাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার রাজশাহীতে বিপুল পরিমান ইয়াবা ও লক্ষাধীক টাকার জাল নোটসহ মাদক কারবারী গ্রেফতার রাজশাহীতে লোডশেডিংয়ের সময় ছাদ থেকে পড়ে কলেজছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে বোরো ধান সংগ্রহে অনিয়মের অভিযোগ সুবিধা পাচ্ছে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট রূপান্তর পাবনার উদ্যোগে রামানন্দপুরে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ অনুষ্ঠিত পাবনা ঈশ্বরদীতে ‘সুগন্ধি শুঁকিয়ে’ গৃহবধূর স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে উধাও দুই নারী পাবনা ঈশ্বরদীতে বাসের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত, বাসচালক পলাতক পাবনার মোল্লা কফিল ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলীগের দোষর থেকে বিএনপি’র দালাল পাবনার আটঘরিয়া পৌরসভায় ১৭ কোটি ৪১ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা

আজ ১৩ জানুয়ারী  হিলিতে ট্রেন ট্রাজেডি দিবস

Reading Time: 2 minutes

সাইফুল ইসলাম, হিলি দিনাজপুর:
আজ ১৩ জানুয়ারি হিলি ট্রেন ট্রাজেডি দিবস। ১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারি দিনাজপুরের হিলিতে দেশের সব বড় ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটে।হিলি রেল স্টেশনে দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে মারা যান ২৭ জন। তবে আজও আহত ও নিহতের পরিবার ক্ষতিপূরণ পায়নি। আজও আলোর মুখ দেখেনি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন। বাংলাহিলি রেলওয়ে একতা ক্লাবের তৎকালীণ সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বুলুসহ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী ও হিলি স্টেশন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারি শুক্রবার রাত সোয়া ৯ টায় রেল ক্রসিংয়ের উদ্দেশে স্টেশনের ১ নম্বর লাইনে দাঁড়িয়েছিল গোয়ালন্দ থেকে পার্বতীপুরগামী ৫১১ নম্বর লোকাল ট্রেন। তবে সে সময়ের দায়িত্বরত স্টেশন মাস্টার ও পয়েন্টসম্যানের অবহেলার কারণে একই লাইনে ঢুকে পড়ে সৈয়দপুর থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী ৭৪৮ নম্বর আন্তঃনগর সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি। এতে দুইটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।এ দুর্ঘটনায় লোকাল ট্রেনটির ইঞ্জিনসহ তিনটি বগি পুরোপুরি দুমড়ে মুচড়ে যায়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় রেলওয়ে একতা ক্লাবের সদস্যসহ স্থানীয়রা দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের উদ্ধার করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ভয়াবহ এই ট্রেন দুর্ঘটনায় দুটি ট্রেনের অর্ধশতাধিক যাত্রী নিহত হয়। আহত হয় দুই শতাধিক। নিহতদের অনেকের দেহ ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে থাকে। পরে স্থানীয় মানুষ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লোকজনের সহায়তায় লাশ উদ্ধারসহ আহতদের দ্রুত উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠায়। সে সময় সরকারি ভাবে নিহতের সংখ্যা ২৭ জন ঘোষণা করা হয়। আর আহতের সংখ্যা বলা হয় শতাধিক।
দুর্ঘটনার পরদিন ১৪ জানুয়ারি দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি সে সময় ঘোষণা দিয়েছিলেন নিহত ও আহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। গঠন করা হবে তদন্ত কমিটি। কিন্তু দুর্ঘটনার ২৮ বছরেও আহত ও নিহতদের অনেক পরিবার সেই ক্ষতিপূরণের টাকা পায়নি। সেই সঙ্গে আজও তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি।
যদিও সরকারি হিসেবে সে সময় মাত্র ২৭ জন নিহতের কথা বলা হয়েছিল কিন্তু মার্কিন সংবাদ সংস্থা এপি’র মতে ১০০ জনেরও বেশি নিহত ও ৪০০ জনের বেশি আহতের কথা বলা হয়েছে।
সেই দিনের মর্মান্তিক ট্রেন দূর্ঘটনায় নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনায় প্রতি বছর স্থানীয় রেলওয়ে একতা ক্লাব এর সদস্যরা আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে আসছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com